ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

হাতিয়ায় গোসল করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু

বিএন প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর হাতিয়ায় গোসল করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ১৩ বছর বয়সী অনির্বাণ (স্বর্ণ) নামে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাতিয়া উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুর থেকে হাতিয়া ফায়ার সার্ভিসের ‘ফায়ার ফাইটার মামুন হোসেন, সহ তার সহযোগীরা অনির্বাণকে উদ্ধার করে। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এফএম আরিফ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত অনির্বাণ হাতিয়া উপজেলা আব্দুল মোতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র। তার পিতা সুব্রত দাস রাজশাহী জেলার আরালি গ্রামের বাসিন্দা এবং মাতা অনুপমা হাওলাদার হাতিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনুপমা হাওলাদার বর্তমানে নোয়াখালী জেলা সদরে পিটিআই প্রশিক্ষণে থাকায় অনির্বাণ তার নানির কাছে থেকে পড়াশোনা করছিল। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সে গোসল করতে উপজেলা পরিষদের পুকুরে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

নিহতের নানি মিনু রাণী হালদার হাসপাতালের মেঝেতে বিলাপ করে বলেন, দুপুরে গোসল করতে গিয়ে আমার নাতি আর ফিরে আসেনি।

হাতিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার হারুন অর রশীদ জানান, বিকেল ৫টার দিকে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সাভিসের একটি দল। কিন্তু হাতিয়াতে ফায়ার সাভিসের কোন ডুবুরি না থাকার পরে ও ফায়ার ফাইটার মামুন হোসেন, সহ তার সহযোগীরা পুকুর থেকে অনির্বাণকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদন সাপেক্ষে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

হাতিয়ায় গোসল করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু

হাতিয়ায় গোসল করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু

আপডেট: ১২:৫৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

বিএন প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর হাতিয়ায় গোসল করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ১৩ বছর বয়সী অনির্বাণ (স্বর্ণ) নামে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাতিয়া উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুর থেকে হাতিয়া ফায়ার সার্ভিসের ‘ফায়ার ফাইটার মামুন হোসেন, সহ তার সহযোগীরা অনির্বাণকে উদ্ধার করে। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এফএম আরিফ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত অনির্বাণ হাতিয়া উপজেলা আব্দুল মোতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র। তার পিতা সুব্রত দাস রাজশাহী জেলার আরালি গ্রামের বাসিন্দা এবং মাতা অনুপমা হাওলাদার হাতিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনুপমা হাওলাদার বর্তমানে নোয়াখালী জেলা সদরে পিটিআই প্রশিক্ষণে থাকায় অনির্বাণ তার নানির কাছে থেকে পড়াশোনা করছিল। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সে গোসল করতে উপজেলা পরিষদের পুকুরে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

নিহতের নানি মিনু রাণী হালদার হাসপাতালের মেঝেতে বিলাপ করে বলেন, দুপুরে গোসল করতে গিয়ে আমার নাতি আর ফিরে আসেনি।

হাতিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার হারুন অর রশীদ জানান, বিকেল ৫টার দিকে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সাভিসের একটি দল। কিন্তু হাতিয়াতে ফায়ার সাভিসের কোন ডুবুরি না থাকার পরে ও ফায়ার ফাইটার মামুন হোসেন, সহ তার সহযোগীরা পুকুর থেকে অনির্বাণকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদন সাপেক্ষে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।