ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হাতিয়ায় নগদ টাকা স্বর্ণালংকার সহ ব্যবসায়ীর বাড়ীতে ডাকাতি ।। হাসপাতালে ভর্তি -৩

বি এন ডেক্সঃ নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় হাতিয়া সুপার মার্কেটের ইনসাফ বস্ত্র বিতানের মালিক কামরুল ইসলামের বাড়িতে চেতনা নাশক ছিটিয়ে অজ্ঞান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ প্রায় ২০লাখ টাকার মালামাল ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ভোর রাতে চরকিং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়াড়ে চরকৈলাস গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়,অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা ঘরের জানালায় দেওয়া টিন সরিয়ে প্রবেশ করে। তারা শয়ন কক্ষে চেতনানাশক ছিটিয়ে পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে দেয়। পরে ১ লাখ ৮৫ টাকা, ৯ ভরি স্বর্ণের গহনা, দুইটি মোবাইল ফোন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় । ৩ জনকে চেতনা নাশক দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে।

ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, ফজরের নামাজের আগে আমার মেয়ের চিৎকার শুনে উঠে দেখি পুরো ঘর তছনছ হয়ে রয়েছে। আমার স্ত্রীর ৯ ভরি স্বর্ণ, নগদ ১ লাখ ৮৫হাজার টাকা, আমার ও আমার ছেলের স্মার্টফোন সহ মূল্যবান সব মালামাল লুট নিয়ে যায়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন আসলে, তখন তারা পালিয়ে যায়। ঘরের সবাইকে ডাকলে ও তারা না উঠায় বুঝতে পারি তাদের অজ্ঞান করা হয়েছে। আমার ২ ছেলে আবু তালহা-১৮,আবু ওবামা-১৫ ও ১ দোকান কর্মচারিকে রাকিব-১৮কে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে পাঠাই।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, পুলিশকে ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। আমরা ঘটনার সঠিক তদন্ত নিশ্চিত করব এবং ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের আলোকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সর্বাধিক পঠিত

হাতিয়ায় বহুল প্রতিক্ষিত স্বপ্নের ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

হাতিয়ায় নগদ টাকা স্বর্ণালংকার সহ ব্যবসায়ীর বাড়ীতে ডাকাতি ।। হাসপাতালে ভর্তি -৩

আপডেট: ০৭:২৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

বি এন ডেক্সঃ নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় হাতিয়া সুপার মার্কেটের ইনসাফ বস্ত্র বিতানের মালিক কামরুল ইসলামের বাড়িতে চেতনা নাশক ছিটিয়ে অজ্ঞান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ প্রায় ২০লাখ টাকার মালামাল ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ভোর রাতে চরকিং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়াড়ে চরকৈলাস গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়,অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা ঘরের জানালায় দেওয়া টিন সরিয়ে প্রবেশ করে। তারা শয়ন কক্ষে চেতনানাশক ছিটিয়ে পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে দেয়। পরে ১ লাখ ৮৫ টাকা, ৯ ভরি স্বর্ণের গহনা, দুইটি মোবাইল ফোন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় । ৩ জনকে চেতনা নাশক দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে।

ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, ফজরের নামাজের আগে আমার মেয়ের চিৎকার শুনে উঠে দেখি পুরো ঘর তছনছ হয়ে রয়েছে। আমার স্ত্রীর ৯ ভরি স্বর্ণ, নগদ ১ লাখ ৮৫হাজার টাকা, আমার ও আমার ছেলের স্মার্টফোন সহ মূল্যবান সব মালামাল লুট নিয়ে যায়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন আসলে, তখন তারা পালিয়ে যায়। ঘরের সবাইকে ডাকলে ও তারা না উঠায় বুঝতে পারি তাদের অজ্ঞান করা হয়েছে। আমার ২ ছেলে আবু তালহা-১৮,আবু ওবামা-১৫ ও ১ দোকান কর্মচারিকে রাকিব-১৮কে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে পাঠাই।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, পুলিশকে ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। আমরা ঘটনার সঠিক তদন্ত নিশ্চিত করব এবং ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের আলোকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।