ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীতে প্রাইম হাসপাতালে আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ ইউনিট চালুর এক বছর পূর্তি উদযাপন

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃনোয়াখালী সদর উপজেলায় প্রাইম হাসপাতাল লিমিটেডের ১ম ইউনিটের চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে জেলায় প্রথম আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ ইউনিট চালুর এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে কেক কেটে বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে হাসপাতালের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কেটে বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন প্রাইম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ মাহবুবুর রহমান।

এ সময় হাসপাতালের চেয়ারম্যান শামীমা জাহান, সিইও ডাঃ মেসবাউস সালেহীন দীপ্ত, চিফ কো-অর্ডিনেটর সুমাইয়া বিনতে সাইফ, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আশরাফুজ্জামান দিনার, সিনিয়র এজিএম সিপন সেন, হাসপাতালের এজিএম মাহমুদ পারভেজ, আইসিইউ ইউনিটের চিকিৎসকবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও উন্নত চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রাইম হাসপাতালের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

তিনি বলেন, তৃণমূলের জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রাইম হাসপাতাল কাজ করে যাচ্ছে। নোয়াখালীতে বেসরকারিভাবে আইসিইউ স্থাপন অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিলো। সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা সেটি করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের আইসিইউ থেকে শতকরা ৬০ ভাগের উপর রোগী ক্রিটিক্যাল অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এটি আমাদের বড় ধরনের সাফল্য।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বিগত এক বছরে (আগস্ট ২০২৫ হতে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত) ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগে সর্বমোট ১,৩৫৩ জন রোগী সেবা গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট)-তে ৬০২ জন (৪৪.৫%), সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট)-তে ৫৫৭ জন (৪১.২%) এবং এইচডিইউ (হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট)-তে ১৯৪ জন (১৪.৩%) রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

চিকিৎসা সাফল্যের হার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভাগে ভর্তি হওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের মধ্যে রেকর্ড ৫৪.৭০ শতাংশ (৭৪০ জন) রোগী পুরোপুরি নিরাময় লাভ করেছেন। এদের মধ্যে ৩৭৯ জন রোগী সংকট কাটিয়ে কেবিনে স্থানান্তরিত হন এবং ৩৬১ জন রোগী সরাসরি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র লাভ করেন। এছাড়া ১৫২ জন রোগী স্বজনদের ইচ্ছায় উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরিত হন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে হাতিয়ায় জামায়াতের গণমিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে প্রাইম হাসপাতালে আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ ইউনিট চালুর এক বছর পূর্তি উদযাপন

আপডেট: ১০:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃনোয়াখালী সদর উপজেলায় প্রাইম হাসপাতাল লিমিটেডের ১ম ইউনিটের চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে জেলায় প্রথম আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ ইউনিট চালুর এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে কেক কেটে বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে হাসপাতালের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কেটে বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন প্রাইম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ মাহবুবুর রহমান।

এ সময় হাসপাতালের চেয়ারম্যান শামীমা জাহান, সিইও ডাঃ মেসবাউস সালেহীন দীপ্ত, চিফ কো-অর্ডিনেটর সুমাইয়া বিনতে সাইফ, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আশরাফুজ্জামান দিনার, সিনিয়র এজিএম সিপন সেন, হাসপাতালের এজিএম মাহমুদ পারভেজ, আইসিইউ ইউনিটের চিকিৎসকবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও উন্নত চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রাইম হাসপাতালের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

তিনি বলেন, তৃণমূলের জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রাইম হাসপাতাল কাজ করে যাচ্ছে। নোয়াখালীতে বেসরকারিভাবে আইসিইউ স্থাপন অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিলো। সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা সেটি করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের আইসিইউ থেকে শতকরা ৬০ ভাগের উপর রোগী ক্রিটিক্যাল অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এটি আমাদের বড় ধরনের সাফল্য।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বিগত এক বছরে (আগস্ট ২০২৫ হতে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত) ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগে সর্বমোট ১,৩৫৩ জন রোগী সেবা গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট)-তে ৬০২ জন (৪৪.৫%), সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট)-তে ৫৫৭ জন (৪১.২%) এবং এইচডিইউ (হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট)-তে ১৯৪ জন (১৪.৩%) রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

চিকিৎসা সাফল্যের হার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভাগে ভর্তি হওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের মধ্যে রেকর্ড ৫৪.৭০ শতাংশ (৭৪০ জন) রোগী পুরোপুরি নিরাময় লাভ করেছেন। এদের মধ্যে ৩৭৯ জন রোগী সংকট কাটিয়ে কেবিনে স্থানান্তরিত হন এবং ৩৬১ জন রোগী সরাসরি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র লাভ করেন। এছাড়া ১৫২ জন রোগী স্বজনদের ইচ্ছায় উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরিত হন।