ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দ্বীপের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ করেছেন হাতিয়ার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আনাছ।।

Oplus_16908288

বি এন নিউজঃ হাতিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এমন গুণীজনদের মধ্যে একজন হলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ। মরহুম মাওলানা এ‌ এন এম রফিকুল হাই নাসিম সাহেবের সুযোগ্য পুত্র এবং সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য (এমএলএ) মরহুম মাওলানা আব্দুল হাই সাহেবের সুযোগ্য দৌহিত্র হিসেবে তাঁর ধমনিতে বইছে জনসেবা ও মহান নেতৃত্বের রক্তধারা। পারিবারিক সেই সুমহান ঐতিহ্য এবং শিক্ষা ও মূল্যবোধকে ধারন করে তিনি আজ প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। একজন মেধাবী ও দূরদর্শী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সততা, পেশাদারিত্ব এবং সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। জেলা প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাঁর এই মেধা ও যোগ্যতার সাক্ষর হাতিয়াবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। হাতিয়ার সর্বজনশ্রদ্ধেয় নেতা মরহুম মাওলানা আব্দুল হাই (এমএলএ) সাহেবের নাতি হিসেবে তিনি পারিবারিক সুনামকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেছেন। দাদাজানের মতোই প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা এবং জনসেবার মানসিকতা তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে পরিলক্ষিত হয়। হাতিয়ার দ্বীপ অঞ্চলের তরুণ সমাজের কাছে তিনি এক অনুপ্রাণিত ব্যক্তিত্ব। সঠিক লক্ষ্য, কঠোর পরিশ্রম এবং সততা থাকলে যে যেকোনো প্রতিকূলতা পেরিয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে সেবা দেওয়া সম্ভব—তিনি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝেও হাতিয়ার কৃতি সন্তান হিসেবে নিজ জন্মভূমির নাম যেভাবে আলোকিত করে চলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। পরিশেষে, নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ কেবল একটি অঞ্চলের কৃতি সন্তান নন; তিনি হাতিয়াবাসীর অহংকার ও নতুন প্রজন্মের আলোকবর্তিকা। রাষ্ট্রের সেবায় তাঁর এই নিরলস যাত্রা আরও দীর্ঘ, গৌরবময় ও সাফল্যমণ্ডিত হোক—হাতিয়াবাসীর এটাই প্রত্যাশা ও প্রার্থনা।

দ্বীপের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ করেছেন হাতিয়ার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আনাছ।।

দ্বীপের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ করেছেন হাতিয়ার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আনাছ।।

আপডেট: ১২:২৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বি এন নিউজঃ হাতিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এমন গুণীজনদের মধ্যে একজন হলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ। মরহুম মাওলানা এ‌ এন এম রফিকুল হাই নাসিম সাহেবের সুযোগ্য পুত্র এবং সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য (এমএলএ) মরহুম মাওলানা আব্দুল হাই সাহেবের সুযোগ্য দৌহিত্র হিসেবে তাঁর ধমনিতে বইছে জনসেবা ও মহান নেতৃত্বের রক্তধারা। পারিবারিক সেই সুমহান ঐতিহ্য এবং শিক্ষা ও মূল্যবোধকে ধারন করে তিনি আজ প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। একজন মেধাবী ও দূরদর্শী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সততা, পেশাদারিত্ব এবং সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। জেলা প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাঁর এই মেধা ও যোগ্যতার সাক্ষর হাতিয়াবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। হাতিয়ার সর্বজনশ্রদ্ধেয় নেতা মরহুম মাওলানা আব্দুল হাই (এমএলএ) সাহেবের নাতি হিসেবে তিনি পারিবারিক সুনামকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেছেন। দাদাজানের মতোই প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা এবং জনসেবার মানসিকতা তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে পরিলক্ষিত হয়। হাতিয়ার দ্বীপ অঞ্চলের তরুণ সমাজের কাছে তিনি এক অনুপ্রাণিত ব্যক্তিত্ব। সঠিক লক্ষ্য, কঠোর পরিশ্রম এবং সততা থাকলে যে যেকোনো প্রতিকূলতা পেরিয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে সেবা দেওয়া সম্ভব—তিনি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝেও হাতিয়ার কৃতি সন্তান হিসেবে নিজ জন্মভূমির নাম যেভাবে আলোকিত করে চলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। পরিশেষে, নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ কেবল একটি অঞ্চলের কৃতি সন্তান নন; তিনি হাতিয়াবাসীর অহংকার ও নতুন প্রজন্মের আলোকবর্তিকা। রাষ্ট্রের সেবায় তাঁর এই নিরলস যাত্রা আরও দীর্ঘ, গৌরবময় ও সাফল্যমণ্ডিত হোক—হাতিয়াবাসীর এটাই প্রত্যাশা ও প্রার্থনা।