নিজস্ব প্রতিবেদক।।  নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নলচিরা নৌঘাটে প্রতি দিন লঞ্চ, সিট্রাক, স্টিমার, ট্রলার, স্পিড বোট সহ বিভিন্ন নৌযানে হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করছে। কিন্তু এখন এইসব ঈদ মুখী যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে ঘাটে কতিপয় ব্যক্তির সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে ।‌। ফলে বাড়ি ফেরত এসব সাধারণ যাত্রীরা  অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে । প্রতিবাদ করলে ওদের হাতে নাজেহাল হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আসার সময় যাত্রীরা ওপারে (বয়ারচর ঘাটে) তাদের সঙ্গের মালামালের জন্য ভাড়া দিয়ে আসলে ও এই ঘাটে (নলচিরা ঘাটে) নামার সাথে সাথে আবার ভাড়া দিতে হচ্ছে। সরকারি নির্ধারিত ভাড়া নয়,  এক প্রকার চাঁদা। একটা ব্যাগ বা লাগেজের জন্য শুধু এই ঘাটে দিতে হচ্ছে ৫০০/১০০০/২০০০ টাকা করে এবং বকশিশ আলাদা । এই অভিযোগ ঘাটের ইজারাদার বেলাল উদ্দিন ও  প্রতিনিধি জনৈক মাসুম বিরুদ্ধে। রাজীব উদ্দিন নামক এক প্রবাসী যাত্রীর অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে গতকাল  এর সত্যতা পেয়েছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ইছমাইল হোসেন ইলিয়াস,পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আকরাম হোসেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সুমন তালুকদার,রিয়াজ মাহমুদ সহ উপজেলা যুবদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পরে ওই নেতৃবৃন্দ ঘাটে কথিত ইজারাদারের প্রতিনিধিকে ডেকে সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে কেউ যাতে কোন অনিয়ম না করে এজন্য সতর্ক করেছেন এবং দলীয় কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন। এ সময় নলচিরা নৌঘাটের নৌপুলিশ কর্মকর্তা একেএম আজিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। ঘাটে কোন লেবার বা অন্য কোন ব্যক্তি অনিয়ম করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌপুলিশের প্রতি ও আহ্বান জানান যুবদলের নেতৃবৃন্দ।